04/04/2025 জীবাশ্ম জ্বালানী বন্ধের আন্দোলন কেমন হওয়া উচিত?
রাজটাইমস ডেস্ক
৪ নভেম্বর ২০২০ ২১:৩৮
এ এন্ড এম ইউনিভার্সিটি
কার্বন নিঃসরন বন্ধে পুঁজিবাজার গুলোতে পরিবেশবাদীরা অব্যাহত আহবান জানিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিশ্বে কার্বনের মূল্য কমে যাওয়ায় পুঁজি বাজারগুলো জীবাশ্ম জ্বালানীর দিকে ছুটছে।
২০১২ সালের পর থেকে জীবাশ্ম জ্বালানী বন্ধের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। মিডিয়ার প্রচারণায় এবং বড় বড় বিনিয়োগকারীরা এই বিষয়ে সচেষ্ট হওয়ার কথা থাকলেও এই আন্দোলনের তেমন একটা কার্যকর প্রভাব পরিলক্ষিত হয় নি।
ফেলিক্স মরগান, টেক্সাসের এ এন্ড এম ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ ল এর একজন প্রফেসর, তিনি প্রকৃতির জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে এই মুভমেন্টটি সফল না হওয়ার পেছনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, এই আন্দোলন সফল না হওয়ার পেছনের প্রধান কারণ হল জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী কোম্পানীগুলো চিহ্নিত করতে না পারা।
মরমেন বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানী স্টক কোম্পানী ও নন-জীবাশ্ম জ্বালানী কোম্পানী সমূহের মধ্যে পার্থক্য করতে গিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ভালো এবং মন্দের বিষয়টি ও উঠে আসে।
বর্তমান সময়ে এনার্জি কোম্পানীর সমূহের উপর মিডিয়ার দৃষ্টি তাদের প্রভাবিত করেছে। কিন্তু এনার্জি কোম্পানী সমূহের পণ্য ও সেবার বিষয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি ও ছড়ানো হয়েছে।
পেনশন ফান্ড, মানবহিতৈষী ফাউন্ডেশন, ১৪ ট্রিলিয়ন ইউএস ডলার ব্যয়সহ এই মুভমেন্ট সফল করতে ১২০০টির ও বেশী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
মরম্যান জোর দিয়ে বলেন, ডাইবেস্টমেন্ট মুভমেন্ট পুঁজিবাজারে ব্যাপক অবদান রেখেছে যা কোম্পানীসমূহের কার্বন বিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত হয়ে করার কথা।
মরম্যানের পরামর্শ, ডাইবেস্টমেন্ট মুভমেন্টের চেয়ে কার্যকর ক্যাম্পেইন করা যাতে কার্বন খাতে কম বিনিয়োগ করা হয়।
সূত্র-ফিজিক্স.ওআরজি