04/05/2025 আপনি মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত কি কি লক্ষণ দেখলে বুঝবেন?
রাজটাইমস ডেস্ক:
১৭ আগস্ট ২০২৪ ১৯:০০
মাঙ্কি পক্স নিয়ে দু'বছরে দু'বার জরুরি অবস্থার ঘোষণা করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ক্রমশ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স। দু'দিন আগেই ক্রমবর্ধমান মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের বিষয়টিকে বিশ্বব্যাপি স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা বলে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। খবর টিভি ৯ বাংলার ।
আফ্রিকায় আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ছাড়িয়েছে ১৭ হাজারের গন্ডি। সতর্কতা জারি করা হয়েছে কেরলেও। এই পরিস্থিতিতে কী দেখলে বুঝবেন আপনি মাঙ্কি পক্স আক্রান্ত?
প্রবল জ্বর হতে পারে। মাঙ্কি পক্সের ফলে শরীরে ব্যথাও হতে পারে। ত্বকে র্যাশ দেখা যেতে পারে। সেই র্যাশ আবার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লাল ফোঁড়ার মতো আকার ধারণ করতে পারে। হাত, পা, পায়ের পাতা, মুখ এবং শরীরের নানা অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই র্যাশ।
প্রবল জ্বর হতে পারে। মাঙ্কি পক্সের ফলে শরীরে ব্যথাও হতে পারে। ত্বকে র্যাশ দেখা যেতে পারে। সেই র্যাশ আবার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লাল ফোঁড়ার মতো আকার ধারণ করতে পারে। হাত, পা, পায়ের পাতা, মুখ এবং শরীরের নানা অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই র্যাশ।
কোভিডের মতোই ছোঁয়াছে এই রোগ। পশু থেকে মানুষে বা মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে পারে সংক্রমণ। আক্রান্তের ক্ষত বা দেহ তরলের সংস্পর্শে আসা জামা-কাপড় থেকেও কিন্তু ছড়াতে পারে এই মাঙ্কি পক্স। এই রোগের উপসর্গ দেখলে কী করবেন?
কোভিডের মতোই ছোঁয়াছে এই রোগ। পশু থেকে মানুষে বা মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে পারে সংক্রমণ। আক্রান্তের ক্ষত বা দেহ তরলের সংস্পর্শে আসা জামা-কাপড় থেকেও কিন্তু ছড়াতে পারে এই মাঙ্কি পক্স। এই রোগের উপসর্গ দেখলে কী করবেন?
প্রথমেই এই রোগের উপসর্গ দেখলে পরীক্ষা করাতে হবে। জ্বর, ক্লান্তি, গা ব্যথা, লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়া ও ত্বকে ক্ষত তৈরির মতো উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রথমেই এই রোগের উপসর্গ দেখলে পরীক্ষা করাতে হবে। জ্বর, ক্লান্তি, গা ব্যথা, লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়া ও ত্বকে ক্ষত তৈরির মতো উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ সাধারণত সংক্রমণের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে দেখা যায়। যদি এই ভাইরাসে আক্রান্ত কারও সংস্পর্শে আসেন, তবে আগে থেকেই আলাদা থাকা ভাল। তাতে বাকিদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।
মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ সাধারণত সংক্রমণের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে দেখা যায়। যদি এই ভাইরাসে আক্রান্ত কারও সংস্পর্শে আসেন, তবে আগে থেকেই আলাদা থাকা ভাল। তাতে বাকিদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।
আলাদা থাকার সঙ্গেই স্নানের গামছা, তোয়ালে আলাদা করতে হবে। যত ক্ষণ না পরীক্ষার ফল হাতে আসছে, তত ক্ষণ সতর্ক থাকতে হবে। আলাদা থাকার সঙ্গেই স্নানের গামছা, তোয়ালে আলাদা করতে হবে। যত ক্ষণ না পরীক্ষার ফল হাতে আসছে, তত ক্ষণ সতর্ক থাকতে হবে।