03/22/2026 দেশের একাধিক সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
রাজ টাইমস ডেস্ক
২২ মার্চ ২০২৬ ২০:২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুমিল্লায় রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
সম্প্রতি বগুড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনার পর শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনার নেপথ্য কারণ অবিলম্বে খুঁজে বের করতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন।
ইতোমধ্যে তিনি দুর্ঘটনার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন। আহতদের সুচিকিৎসার নিশ্চিত করতেও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ট্রেন-বাস সংঘর্ষে তদন্ত করে প্রতিটি ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতার জন্য দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (২২ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এ কথা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লায় রেল দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে ইতোমধ্যেই তিনটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, অপর কমিটি গঠন করেছে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিটি তদন্ত কমিটিকে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার জন্য ইতোমধ্যেই কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনী, হবিগঞ্জ এবং জামালপুর সেতু দুর্ঘটনাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত এবং তাদেরকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, পবিত্র ঈদ উদযাপনের এই আনন্দঘন মুহূর্তে এসব দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং উদ্বেগজনক। প্রতিটি জীবন মূল্যবান। প্রতিটি মৃত্যুই অপূরণীয় ক্ষতি। প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহর দরবারে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। হতাহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জনগণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ বিষয়ে কোনো শৈথিল্য বরদাস্ত করা হবে না। একই সঙ্গে রেলক্রসিং ব্যবস্থাপনা, সেতুর নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থা নিরাপদ করতে দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে জরুরিভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুমিল্লায় রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
সম্প্রতি বগুড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনার পর শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনার নেপথ্য কারণ অবিলম্বে খুঁজে বের করতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন।
ইতোমধ্যে তিনি দুর্ঘটনার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন। আহতদের সুচিকিৎসার নিশ্চিত করতেও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ট্রেন-বাস সংঘর্ষে তদন্ত করে প্রতিটি ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতার জন্য দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এ কথা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লায় রেল দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে ইতোমধ্যেই তিনটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, অপর কমিটি গঠন করেছে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিটি তদন্ত কমিটিকে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার জন্য ইতোমধ্যেই কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে আরো ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনী, হবিগঞ্জ এবং জামালপুর সেতু দুর্ঘটনাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত এবং তাদেরকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ রোববার এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, পবিত্র ঈদ উদযাপনের এই আনন্দঘন মুহূর্তে এসব দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং উদ্বেগজনক। প্রতিটি জীবন মূল্যবান। প্রতিটি মৃত্যুই অপূরণীয় ক্ষতি। প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহর দরবারে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। হতাহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
তারেক রহমান বলেন, জনগণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ বিষয়ে কোনো শৈথিল্য বরদাস্ত করা হবে না। একই সঙ্গে রেলক্রসিং ব্যবস্থাপনা, সেতুর নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থা নিরাপদ করতে দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে জরুরিভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।