জমে উঠছে ঈদের বাজার

রাজশাহীতে সরগরম দেশীয় ব্র্যান্ডের আউটলেট

বিশেষ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল ২০২৪ ১৯:০০; আপডেট: ২৬ মে ২০২৪ ১৮:০৭

জমে উঠছে পবিত্র ইদুল ফিতর উপলক্ষে রাজশাহীর বিভিন্ন বাজার।

জমে উঠছে পবিত্র ইদুল ফিতর উপলক্ষে রাজশাহীর বিভিন্ন বাজার। এবার দেশীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আউটলেটে ক্রেতাদের ব্যাপক ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ৭০-৮০ কোটি টাকার বেচাকেনা হচ্ছে ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা ধারণা করছেন। তবে ক্রেতারা বলছেন, বাজারে নিত্যপণ্যের মতো সব পোশাক-পরিচ্ছদের দামও বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি।

রাজশাহী নগরীতে ১৫ রমজান থেকে জমতে শুরু করেছে ঈদের বাজার। এখন নগরীর বিপণীবিতানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়। এ অবস্থায় এবারের ঈদে রাজশাহীতে মোট ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার জামা-কাপড় বেচাকেনা হবে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা। নগরীর সব বিপণীবিতান আর বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুমগুলো ঝলমলে আলোতে সাজানো হয়েছে।

পাশাপাশি নগরীর সাহেব বাজার, আরডিএ মার্কেট, নিউমাকের্টসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোও এখন বেশ সরগরম। আরডিএ মার্কেটের বিক্রেতাদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, রোজার প্রথম থেকেই ক্রেতারা ঈদের কেনাকাটা করতে আসতে শুরু করেছেন। গত বছরের চেয়ে এ বছর সব পোশাকের দামই বেড়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতিটি পোশাকের দামই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি। নারী ও শিশুদের পোশাকের দামও বেশি। বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারিতেই এবার তাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে পোশাক। আর ক্রয়মূল্য বেশি হওয়ার কারণেই তাদের বেশি দামে বিক্রিও করতে হচ্ছে। তবে শোরুম দাবি একই। ক্রয়মূল্য বেশি হওয়ায় বিক্রিও করতে হচ্ছে বাড়তি দামে বলে জানান।

এবার ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের চাহিদা মাথায় রেখে বিদেশি পোশাকের পাশাপাশি দেশীয় আউট লেটগুলোতে শোভা পাচ্ছে, লং কামিজ, আবায়া, নাগিসাস, টারকিস, যা ক্রেতাদের বেশ আকৃষ্ট করছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। গ্রামীণ চেক রাজশাহী শাখার ম্যানেজার শামসুল হক বলেন, গ্রামীণ চেক বেশ ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে এবার। দেশীয় ডিজাইনের ওপর বেশ কিছু শাড়ি আনা হয়েছে। ব্যবসাও বেশ ভালো হচ্ছে। দর্জি বাড়ি ফ্যাশনের ম্যানেজার ফয়সাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, দেশীয় ফ্যাশন হিসেবে এবার অনেক কিছু এনেছি। আশা করছি বেশ ভালো ব্যবসা হবে। আমাদের যে টার্গেট তা পূরণ করতে পারবো। বেশ সাড়া পাচ্ছি। ফড়িং রাজশাহী শাখার ম্যানেজার এমরান হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা ঈদকে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছি। নতুন নতুন নকশার বিভিন্ন ফ্যাশনের পণ্য আনা হয়েছে। বিশেষ করে নাইরা কাটিং, সিকুন্সের পাঞ্জাবি, বিভিন্ন নিজস্ব ডিজাইনের থ্রিপিস আনা হয়েছে।

কেনাকাটা করতে আসা এক ক্রেতা বলেন, ইন্ডিয়ান বা অন্য পোশাকগুলো সবাই আনতেই পারে। কিন্তু দেশীয় পণ্যগুলো মূলত একটি কোম্পানির এক একটি ইউনিক হয়। তাই এখানেই কিনতে এসেছি। ভালোও লাগছে। দামও সামর্থ্যের মধ্যে। লারিভ ফ্যাশনে ক্রেতা ইমন হোসেন বলেন, দেশীয় পণ্য বেশ সুন্দর হয়। এ ছাড়াও পরিধান করেও বেশ স্বাচ্ছন্দ্য লাগে। তাই দেশীয় পণ্যের উপরেই ঝুঁকেছি। এবার দেশীয় পণ্যেই ঈদ করবো। নগরীর আলুপট্টি মোড়ে আড়ং ফ্যাশনে কেনাকাটা করতে আসা এক ক্রেতা বলেন, ইন্ডিয়ান বা অন্য পোশাকগুলো সবাই আনতেই পারে। কিন্তু দেশীয় পণ্যগুলো মূলত একটি কোম্পানি অপর একটি থেকে আলাদা ডিজাইন থাকে। তাই এখানেই কিনতে এসেছি। ভালোও লাগছে। অপর এক ক্রেতা বলেন, দেশীয় পণ্য বেশ সুন্দর হয়। এছাড়া পরিধান করেও বেশ স্বাচ্ছন্দ্য লাগে। তাই দেশীয় পণ্যের উপরেই ঝুঁঁকেছি। এবার দেশীয় পণ্যেই ঈদ করব।

গ্রামীণ চেক রাজশাহী শাখার ম্যানেজার শামসুল হক বলেন, গ্রামীণ চেক বেশ ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে এবার। দেশীয় ডিজাইনের ওপর বেশ কিছু শাড়ি আনা হয়েছে। ব্যবসাও বেশ ভালো হচ্ছে। দর্জি বাড়ি ফ্যাশানের ম্যানেজার ফয়সাল হোসেন বলেন, দেশীয় ফ্যাশন হিসেবে এবার অনেক কিছু এসেছি। আশা করছি বেশ ভালো ব্যবসা হবে। আমাদের যে টার্গেট তা পূরণ করতে পারবো। বেশ সাড়া পাচ্ছি। এদিকে নগরীর সাহেব বাজারে অবস্থিত আরডিএ মার্কেটের ক্রেতারা সাধারণত মধ্যম আয়ের মানুষ। এবারও এই মার্কেটে বাহারি রঙের পোশাক এসেছে। তবে দাম বেশি বলে অসন্তুষ্টি জানাচ্ছেন ক্রেতারা।



বিষয়:


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস
এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top