সিইসি ও ইসি নিয়োগ প্রশ্নে আইনের ৯ ধারা চ্যালেঞ্জ করে রিট
রাজ টাইমস ডেস্ক : | প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৪ ১৪:২৯; আপডেট: ৩ এপ্রিল ২০২৫ ০৯:১৭

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে ৯ ধারায় প্রদত্ত দায়মুক্তি চ্যালেঞ্জ করে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।
রোববার সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার আইন ২০২২ -এর ধারা ৯ চ্যালেঞ্জ করে রিট পিটিশন দায়ের করেন।
রোববার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি মোহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের দ্বৈত বেঞ্চে মামলাটি দায়ের করেন রিটকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
নির্বাচন কমিশনার আইনের ৯ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, 'প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ইতোপূর্বে গঠিত অনুসন্ধান কমিটি ও তৎকর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলি এবং ওই অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বৈধ ছিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং ওই বিষয়ে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।'
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, এই আইনের ধারা ৯ -এর মাধ্যমে ইতোপূর্বে নিয়োগকৃত নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে এবং এ ব্যাপারে বিচার বিভাগের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে যা সংবিধানের ২৬, ২৭ এবং ৩১ অনুচ্ছেদ, ক্ষমতার পৃথকীকরণ নীতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পরিপন্থি।
এই আইনের ধারা ৯ -এর মাধ্যমে বিচারবিভাগের ক্ষমতা কেড়ে নেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, দেশের কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্তাপন করা যাবে না। এই ধরনের দায়মুক্তি সম্পূর্ণভাবে অসাংবিধানিক।
দেশের তিনটি বিভাগ রয়েছে। আইন-বিচার ও সংসদ বিভাগ। আইন সভা আইন পাশ করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব করতে পারে না। কারণ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা (Independence of judiciary) সংবিধানের মৌলিক কাঠামো (Basic Structure)। ৯ ধারার মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে।
এই রিট আবেদনে আইন মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিটকারী আইনজীবীরা হলেন- আব্দুল্লাহ সাদিক, জিএম মোজাহিদুর রহমান, মিসবাহ উদ্দিন, জোবায়দুর রহমান, নোয়াব আলী, আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, সাজ্জাদ সরওয়ার, মোজাহিদুল ইসলাম, মিজানুল হক এবং একেএম নুরুন নবী।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: