রাবি সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি লতিফ, সম্পাদক মাসুদ

রাবি প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ১৮ মার্চ ২০২৩ ২০:৫০; আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৩ ১৮:৫০

ছবি: সংগৃহিত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) সায়েন্স ক্লাবের ৭ সদস্যবিশিষ্ট নবম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. আব্দুল লতিফকে সভাপতি ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মাসুদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার শিক্ষক-ছাত্র সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) ক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন উপদেষ্টা ও রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তারিকুল হাসান এ কমিটি ঘোষণা করেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি কারিমা খাতুন ও নাজনীন আরা নিশু। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সায়েম আলম, কোষাধ্যক্ষ শেখ সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গোলাম রাব্বি।

প্রাথমিকভাবে ৭ সদস্যদের কমিটি ঘোষণা করা হয় এবং অতিশীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন উপদেষ্টামণ্ডলী।

এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. আসাবুল হক, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তারিকুল হাসান ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত) ড. বিধান চন্দ্র দাস, ক্লাবেরটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. রেজাউল করিম, আজীবন সদস্য সৌরভ পাল ও শের আলী এবং সদ্যবিদায়ী সভাপতি আবিদ হাসান ও সহ-সভাপতিরা।

অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, "আমরা চাই উন্নয়ন, আমরা চাই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে। পূর্বের চাইতে আমাদের ভালো কিছু করতে হবে। দেশব্যাপী এখন রাবি সায়েন্স ক্লাবের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। শারীরিক শক্তি প্রকাশ না করে, বিজ্ঞানের শক্তি কাজে লাগালেই জাতি এগিয়ে যাবে। যুক্তির শক্তি কাজে লাগাতে হবে। সফলতার কোনো শর্টকাট পদ্ধতি নেই। সফলতার জন্য পরিশ্রম ও ধর্য্যের প্রয়োজন।"

নতুন কমিটি নিয়ে তিনি বলেন, "তোমরা যারা নতুন কমিটিতে এসেছো, তারা বিজ্ঞানের কাজ করতে থাকবে। বিজ্ঞানের সকল ক্ষেত্রে তোমাদের অবদান দেখতে চাই। নিজেদের কখনো সংকীর্ণ করবে না। নিজেদেরকে জাতির জন্য বিলিয়ে দিবে। তোমাদের সকল কাজ যেন মানব কল্যাণে আসে।"

অধ্যাপক বিধান চন্দ্র দাস বলেন, "বিজ্ঞানের পরিধি ব্যাপক এ বিজ্ঞান প্রচারে রাবি সায়েন্স ক্লাব এগিয়ে যাচ্ছে দ্রুততার সাথে। বিজ্ঞান বলতে বর্তমানে আমরা যেটা বুঝি আসলে বিজ্ঞানের পরিসর তার চেয়ে ব্যাপক। যার ভিত্তি দর্শণ। আমরা যদি অতীতের দিকে দৃষ্টিপাত করি তাহলে দেখতে পাই, বিজ্ঞান দর্শণ থেকেই উৎপত্তি লাভ করেছে। মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা, বিজ্ঞান সবই হলো বিজ্ঞানের শাখা।"



বিষয়:


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস
এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top