যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক বাড়ানোর কারণে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্থ হবে না: বাণিজ্য উপদেষ্টা
রাজ টাইমস ডেস্ক | প্রকাশিত: ৫ এপ্রিল ২০২৫ ২২:২৬; আপডেট: ৬ এপ্রিল ২০২৫ ১৩:২৬

শুল্ক বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্থ হবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোতেও শুল্ক বেড়েছে, তাই যুক্তরাষ্ট্রের এই শুল্ক নীতিতে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, বরং বাংলাদেশের তৈরি পোশাকে বৈচিত্র্য থাকায় সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে।
শনিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার ইস্যু নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ডাকা জরুরি বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘নতুন শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা নিজেই কথা বলবেন। এবং আমদানি বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো হবে।’
তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের উপর আরোপিত শুল্ক ও আমাদের বাণিজ্যের যে ধরন-গঠনের উপর ভিত্তি করে আমাদের করণীয়গুলো বোঝার চেষ্টা করছি। আমরা এখানে সম্ভাবনাও দেখছি এবং সম্ভাবনার বিপরীত যে বিষয়গুলো রয়েছে সেগুলোকে সম্যকভাবে উপলব্ধি করে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে এনে তুলনামূলকভাবে আমাদের প্রতিযোগী দেশের থেকে একটা ভালো অবস্থানে যাওয়ার প্রচেষ্টায় রত আছি।
প্রধান উপদেষ্টার হাইরিপ্রেজেনটেটিভ ড. খলিলুর রহমান বলেন, শুল্ক বৃদ্ধি আকস্মিক নয়। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করেই নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
গত বুধবার (২ এপ্রিল) ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় (বাংলাদেশ সময় বুধবার দিবাগত রাত ২টা) হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেখানে বাংলাদেশি পণ্যে এতদিন গড়ে ১৫ শতাংশ করে শুল্ক ছিল।
হোয়াইট হাউস প্রকাশিত চার্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ মার্কিন পণ্যের ওপর ৭৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। তাই বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ ‘ডিসকাউন্টেড রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ ধার্য করা হয়েছে।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: