স্বাধীনতা হরণের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন তৈরি হয়নি : আইনমন্ত্রী

রাজ টাইমস ডেস্ক : | প্রকাশিত: ৮ মার্চ ২০২৩ ১৩:৩১; আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৪ ২২:৫০

ছবি: ফাইল

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, যুক্তিসঙ্গত সব সাজেশন সরকার শুনতে চায়। যারা মানুষের গান গাইবে তাদের কথা সরকার শুনবে। সুশীলসমাজের বক্তব্য বন্ধ করার উদ্দেশ্য সরকারের নেই। কারো বাকস্বাধীনতা বা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য এটা তৈরি করা হয়নি।

সুশীলসমাজের সুপারিশগুলো সরকার গুরুত্বের সাথে নিবে এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সরকারের সাথে সংশ্লিষ্ট সবার আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত রয়েছে। গতকাল রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ইউএসএইডের প্রমোটিং অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড রাইটস্ প্রকল্পের আওতায় কাউন্টারপার্ট ইন্টারন্যাশনাল এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর নট ফর প্রফিট ল (আইসিএনএল) আয়োজিত ‘শেপিং অব থার্ড সেক্টরল’স অ্যান্ড পলিসিস’ বিষয়ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে আবার বসা হবে, সেখানে যে কেউ মতামত দিতে পারবেন। অনেকেই বলেছেন, এই আইন করে কোনো উপকার হয়নি, আমার মনে হয় কিছু কিছু উপকার হয়েছে। আমি এমন কথা বলব না, আইনটির কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি নেই।

সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে ইউএসএইডের মেধাবি গিরি, অ্যাক্টিং অফিস ডিরেক্টর বলেন, আজকের এই আয়োজনের প্যানেলিস্টরা যে প্রস্তাবনাগুলো উপস্থাপন করেছেন, ইউএসএইড তার প্রতি সমর্থন জানায়। আশা করি প্রস্তাবনাগুলো গৃহীত হলে তা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন আইন, ২০১৬ এর প্রয়োগকে আরো কার্যকর ও জনহিতকর করে তুলবে। আশা করি আমরা শিগগিরই আজকের আলোচনার প্রেক্ষিতে আইন প্রণয়নের সাথে জড়িতের কার্যকরী পদক্ষেপ দেখতে পারব।

অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, অধ্যাপক সি আর আবরার ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই শেপিং অব থার্ড সেক্টরস লস অ্যান্ড পলিসিস অনুষ্ঠানের ধারণাপত্র পাঠ করেন আইসিএনএলের কনসাট্যান্ট শারমিন খান। এরপর প্যানেল আলোচকবৃন্দ নাগরিক সমাজের ওপর বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন আইন, ২০১৬ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর প্রভাব নিয়ে আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে নাগরিক সমাজের পক্ষে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, বিশিষ্ট সমাজকর্মী খুশী কবিরসহ দেশের শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, উন্নয়নকর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।



বিষয়:


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস
এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top