পিএইচডি জালিয়াতি বন্ধে নীতিমালা করতে কমিটি

রাজটাইমস ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২২ ০৭:২৫; আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২২ ১৪:৫৮

ফাইল ছবি

উচ্চশিক্ষার একটি সুপরিচিত থিসিস (অভিসন্দর্ভ) জালিয়াতি। পিএইচডি গবেষণার এই জালিয়াতি রোধ করতে একটি নীতিমালা প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ৭ শিক্ষাবিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠনের আদেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। খবর দেশ রুপান্তরের।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রিট আবেদনকারী আইনজীবী রবিবার ৭ জনের নাম উল্লেখ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন দাখিলের পর বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

যে ৭ জনের কমিটি গঠন করা হয়েছে তারা হলেন- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুি ক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারপারসন ড. অধ্যাপক সাইফুদ্দিন মো. তারেক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. নাকিব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাজনীন এবং বুয়েটের একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা আকবর।

কমিটি নীতিমালার খসড়া প্রস্তুত করে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে হাইকোর্টে।

শুনানিতে রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান লিংকন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের পিএইচডি গবেষণার ৯৮ শতাংশ নকল নিয়ে ২০২০ সালের ২১ জানুয়ারি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনিরুজ্জামান লিংকন। হাইকোর্ট ওই শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়। ওই বছরের ২৮ জুনয়ারি আবুল কালাম লুৎফুল কবীরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ওই বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের আদেশের প্রেক্ষিতে ইউজিসির দাখিলকৃত প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের নিজস্ব আইন, বিধি ও নীতিমালা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এমফিল ও পিএইচডিসহ উচ্চতর ডিগ্রি দেয়। তবে এ বিষয়ে ইউজিসির কোনো ভূমিকা নেই। এ ছাড়া দেশে সরকার অনুমোদিত ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৯৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হলেও ইউজিসি এখন পর্যন্ত কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম পরিচালনার অনুমোদন দেয়ানি। যদি কেউ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল বা পিএইচডি গবেষণা করে থাকেন তাহলে সেটি অবৈধ হবে।

এর ধারাবাহিকতায় হাইকোর্টের এ আদেশ আসে।

মূল খবরের লিঙ্ক



বিষয়:


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top