এলডিসি উত্তরণ পেছাতে আরও ৩ বছর সময় চায় বাংলাদেশ
রাজ টাইমস ডেস্ক | প্রকাশিত: ১ এপ্রিল ২০২৬ ১২:২৫; আপডেট: ১ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:০৩
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে বাংলাদেশ সরকার।
প্রস্তুতিমূলক কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী একগুচ্ছ বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা সমস্যার কথা উল্লেখ করে এই আবেদন জানানো হয়েছে।
এলডিসির কাতারে আরও তিন বছর থাকতে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে উত্তরণের সময় পিছিয়ে ২০২৯ সালের জন্য আবেদন করা হয়েছে। এরপরও মিলছে না স্বস্তি। তাই বাংলাদেশের আবেদন ইতিবাচকভাবে দেখতে সংস্থাটিতে চিঠি দিচ্ছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উন্নয়নশীল দেশে রুপান্তরের বিষয়টা মর্যাদার হলেও তা থেকে আরও তিন বছর পিছিয়ে থাকতে চায় বাংলাদেশ। নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরদিনই এ বিষয়ে জাতিসংঘের ইকোসকে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের পর থেকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতির সময়কাল। যেখানে বড় সংকট ছিল কোভিড-১৯ মহামারির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। তুলে ধরা হয় আগের সরকারের তথ্য জালিয়াতি, আর্থিক খাতে অনিয়ম ও ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিও।
তবে, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি রাবাব ফাতামার পালটা চিঠিতে সংস্থাটির সাধারণ অধিবেশনের ভোটে প্রভাব রাখতে বাংলাদেশকে বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়।
সেইসঙ্গে অন্য আরেকটি চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং আবেদন করলে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে, তৈরি করা হয়েছে তারেক রহমানের চিঠির খসড়া। যা পাঠানো হবে শিগগিরই।
চলতি বছরের নভেম্বরে এলডিসি থেকে উত্তরণের নির্ধারিত সময় রয়েছে বাংলাদেশের। এর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ভোটাভুটিতে।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: