পাচারকৃত অর্থ ফেরাতে ১৪১ মামলা দায়ের করা হয়েছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
রাজ টাইমস ডেস্ক | প্রকাশিত: ১ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:০৬; আপডেট: ১ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৩৪
দেশে ও বিদেশে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ (ফ্রিজিং) করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানান, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি জানান, পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১৪১টি মামলা রুজু করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টির চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে এবং ৬টির রায় প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য জানান। সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
সম্পদ জব্দের পরিসংখ্যান তুলে ধরে সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেন, দেশে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক মোট ৫৭ হাজার ১৬৮ কোটি ৯ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আদালতের নির্দেশে বিদেশে মোট ১৩ হাজার ২৭৮ কোটি ১৩ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে-বিদেশে মোট প্রায় ৭০ হাজার ৪৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যমতে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অর্থপ্রবাহের পরিমাণ আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা)।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: