অপরাধ ও অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে হত্যাকে
‘বর্ডার কিলিং’ বলা ঠিক হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজ টাইমস ডেস্ক | প্রকাশিত: ২ জুন ২০২৬ ২১:১৪; আপডেট: ২ জুন ২০২৬ ২২:২৪
সীমান্তে অপরাধে জড়িত ও কে ‘বর্ডার অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে হত্যা কিলিং’ বলা ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বলেছেন, যদি অন্য দেশের বাহিনী কর্তৃক আমাদের সীমান্তে অথবা জিরো লাইনে এসে কিলিং করে, সেটাকে আমরা বর্ডার কিলিং বলতে পারি। কিন্তু যদি আমাদের সীমানার অভ্যন্তরে এবং তাদের সীমানার অভ্যন্তরে কোনো রকমের কোনো অপরাধে কেউ জড়িত থাকে, যদি কেউ ইলিগ্যাল ট্রেসপাস (অনুপ্রবেশ) করে যায়, সেটা তারা (সীমান্তরক্ষী বাহিনী) কীভাবে অ্যাড্রেস করবে তা তাদের দেশীয় আইনের ওপর নির্ভর করে। এটাকে বর্ডার কিলিং বলা ঠিক হবে না।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন। বিএসএফ ও বিজিবির ডিজি পর্যায়ের বৈঠকে কোন কোন বিষয়গুলো আপনারা তুলে ধরবেন জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিজি পর্যায়ের যে মিটিংটা হবে, সেটা আমাদের সবসময়ের রেগুলার ফাংশন, প্রতিবছরই হয়। একবার এই সাইডে হয়, আরেকবার ওই সাইডে হয়। এক্ষেত্রে বর্ডারের ইস্যুগুলো এড্রেস করা হবে, উভয় পক্ষের কি কি সমস্যা আছে এবং সমস্যাগুলো কীভাবে হয় সেসব বিষয়ে কথা হবে। সংশ্লিষ্ট সব বিষয় উত্থাপিত হবে।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তারা ‘বাংলাদেশি’ নাম দিয়ে সীমান্তে বিপুল সংখ্যক মানুষকে জড়ো করছে, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এগুলো শুনতে পাচ্ছি, বর্ডারে আমাদের বিজিবি অ্যালার্ট আছে। আমরা যে কোনো রকমের ইলিগ্যাল পুশইন বা পুশব্যাকের বিপক্ষে। তিনি বলেন, কিন্তু যদি বাংলাদেশের কোনো সিটিজেন যে কোনো কারণেই হোক সে দেশে গিয়ে থাকে, তাদের যদি ন্যাশনাল আইডি আইডেন্টিফিকেশন ভেরিফিকেশন করা হয়, ন্যাশনাল আইডি ভেরিফিকেশন করে যদি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে সেরকম কোনো তালিকা আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রেরণ করে, তারা সেটা আইনানুগভাবে রিপেট্রিয়েশন প্রসেসটা ফলো করবে। সেরকম কোনো বিষয় আমাদের কাছে এখনো পর্যন্ত পেন্ডিং নেই, যদি অতীতে পেন্ডিং থাকে সেটা অবশ্যই সেভাবে লিগ্যালি অ্যাড্রেস করা হবে।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: