ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ইবিতে আলোচনা সভা
ইবি প্রতিনিধি: | প্রকাশিত: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ২২:২৮; আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ০০:৩৫
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের ৭৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) এই আলোচনা সভা করে সংগঠনটি।
সভায় ছাত্র ইউনিয়ন ইবি সংসদের সভাপতি নূর আলমের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক তাহমিদ হাসান সজিবের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বশির আহমদ।
আরও উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রদলের সদস্য নূর উদ্দিন, ছাত্র ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ ইমন, সুমন শেখ, সহ-সেক্রেটারী মনির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ রাহাত হোসেন, প্রচার সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ সবুজ, ক্রীড়া সম্পাদক মাসুদ রানা, স্কুল ছাত্র সম্পাদক মোঃ সবুজসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক বসির আহমদ বলেন, আমরা ছাত্রজীবন শেষ করে পারিবারিকভাবে প্রতিষ্ঠা লাভের চেষ্টা করেছি, সমাজে কেউ কেউ প্রতিষ্ঠিত হয়েছি। ছাত্র ইউনিয়ন ছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে পরিবার হয়েছে। তারপরেও সন্তানের জন্মদিন যেভাবে মানুষ মনে রাখে, ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরাও এই ২৬শে এপ্রিলকে সেভাবেই মনে রাখে।
৫২-র ভাষা আন্দোলনের দাবি-দাওয়া পুরোপুরি অর্জন করার জন্যই একই বছরের ২৬শে এপ্রিল বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ছাত্র ইউনিয়ন তার কোনো দায়িত্বেই অবহেলা করেনি। কোনো জায়গায়ই ঐতিহাসিক কোনো ভুল করেনি।
সংগঠনটির সভাপতি নুর আলম বলেন, ছাত্র ইউনিয়ন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত সবসময় বাংলাদেশের মানুষের ন্যায্য দাবি ও অধিকারের পক্ষে সবসময় সামনের সারি থেকে লড়াই করে আসছে। কিন্তু এজন্য বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কখনো কারো থেকে কোনো প্রকারের বাড়তি সুবিধা নেয়নি। কোটা সংস্কার আন্দোলন, ভর্তি ফি কমানো, বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কার আন্দোলনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক অধিকার বাস্তবায়নের জন্য ইবি সংসদ সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: