বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ 

বাঘা প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল ২০২১ ২১:৩১; আপডেট: ৬ মে ২০২১ ২১:৪৪

ফাইল ছবি
রাজশাহীর বাঘায় প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তুলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে বাঘা উপজেলার ঝিনা দক্ষিণপাড়া মহল্লার আব্দুস সালামের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩১) কে আসামী করে বাঘা থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছে। মামলাটি ২৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাতে বাঘা থানায় এজাহার হিসাবে রের্কডভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, রাজশাহীর বাঘার ওই কলেজ ছাত্রীর সাথে শহিদুল ইসলাম প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিয়ের প্রলোভন দিয়ে শহিদুল ইসলামবিভিন্ন স্থানে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এরপর ছাত্রী তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে শহিদুল তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়।
এ ঘটনায় ওই ছাত্রী ২৮ এপ্রিল বুধবার বিয়ের দাবিতে শহিদুলের বাড়িতে যান। কিন্তু শহিদুলকে না পেয়ে  তার পরিবারকে ঘটনা জানায় ছাত্রীটি। কিন্তু শহিদুলের পরিবার তাকে লাঞ্ছিত করে। 
অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রধান আসামী শহিদুলের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনও বন্ধ রয়েছে। শহিদুলের মা সালেহা বেগম বলেন, তাঁর ছেলে শহিদুল কোথায় আছেন, তা তিনি জানেন না।  
এদিকে ছাত্রীর পিতা জানান, শহিদুল ইসলাম একাধিক মেয়েকে মিথ্যা প্রেমের জালে জড়িয়ে তার জীবন নষ্ট করেছে। 
বাঘা থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, ছাত্রীটি নিজে বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি। ওই ছাত্রীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।
 
 
 
 
 
এসকে
 
 
 
 
 
   
 


বিষয়:


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top